বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত তিনটা জি আই পন্যের স্বত্ব পেয়েছি। জি আই পণ্য তাই বাংলাদেশের জন্য এখন গুরত্বপুর্ন।
জি আই (G.I) পণ্য হলো জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেটর (Geographical Indicator) বা ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য। জি আই হলো একটি নাম বা সাইন যেটা নির্দিষ্ট একটি পণ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়, যা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগলিক এলাকার পণ্যের পরিচিতি বহন করে। যেমন বিশ্বের মোট ইলিশের প্রায় দুই তৃতীয় অংশ বাংলাদেশে হয়। তাই ইলশি কে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি। এতে পণ্যটি ঐ দেশের পণ্য হিসেবে খ্যাতি পায় এবং প্রতিযোগিতামলূক বিশ্ববাজারে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
কোনো দেশের
নির্দিষ্ট কোনো একটি পণ্য যখন ঐতিহ্যবাহী হয় তখন এটিকে সেই দেশের জন্য
বিশ্ব ঐতিহ্যে স্থান করে দিতে এর একটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত
স্ট্যান্ডার্ড প্যাটেন্ট দেওয়া হয়। এটিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের ভাষায়
আন্তর্জাতিক ভাবে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য
বলা হয়ে থাকে।জি আই (G.I) পণ্য হলো জিওগ্রাফিক্যাল ইনডিকেটর (Geographical Indicator) বা ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য। জি আই হলো একটি নাম বা সাইন যেটা নির্দিষ্ট একটি পণ্যের জন্য ব্যবহার করা হয়, যা কোনো নির্দিষ্ট ভৌগলিক এলাকার পণ্যের পরিচিতি বহন করে। যেমন বিশ্বের মোট ইলিশের প্রায় দুই তৃতীয় অংশ বাংলাদেশে হয়। তাই ইলশি কে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি। এতে পণ্যটি ঐ দেশের পণ্য হিসেবে খ্যাতি পায় এবং প্রতিযোগিতামলূক বিশ্ববাজারে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
মেধাস্বত্ব-
বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization)
এটি নিবন্ধন দেয় এবং GI পণ্য স্বীকৃতি দানকারে। মেধাসত্ব বিষয়ক ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ অনুযায়ী এই নিবন্ধন দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষে আবেদন
করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
(ডিপিডিটি) / DPDT -Department of Patents, Designs and Trademarks
কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের উপযোগী হয় এবং উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য রয়েছে যেগুলো আগে কখনোই সঠিক উদ্যোগের অভাবে জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।কিন্তু বর্তমান সরকার এ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে। জি আই পণ্যের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করে ২০১৪ সালে। এরই অংশ হিসেবে প্রথম জিআই পণ্যের স্ট্যাটাসটি পেয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত জামদানি শাড়ি। জামদানির পর বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ২য় ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৩য় জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
বর্তমানে বাংলাদেশের তিনটি জি আই পণ্য রয়েছে।
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর ২০১৬)
২. ইলিশ (৬ আগস্ট ২০১৭)
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম (২৭ জানুয়ারী ২০১৯)
জিআই নিবন্ধন পেলে সুবিধা:
জিআই পণ্য হিসেবে যেসব পণ্যের নিবন্ধন কোনো দেশ পাবেন তারা যে সকল সুবিধা পাবেন তাহলো:
১. সংশিষ্ট পণ্যের মালিক হবে সেই দেশ। ভৌগোলিক পরিচিতও পাবে সেই দেশ।
২. তারা সেই পণ্যের ব্যবসায়িক মুনাফার সম্পূর্ণ অংশের মালিক হবেন।
৩. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব পণ্যের মালিকানা বা স্বত্ব আর কোনো দেশ দাবি করতে পারবে না।
৪. দেশের মধ্যেও অন্য কোনো এলাকার জনগোষ্ঠী এ পণ্যের মালিকানা পাবে না।
কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের উপযোগী হয় এবং উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অর্থাৎ সেই পণ্য শুধু ওই এলাকা ছাড়া অন্য কোথাও উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য রয়েছে যেগুলো আগে কখনোই সঠিক উদ্যোগের অভাবে জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।কিন্তু বর্তমান সরকার এ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে। জি আই পণ্যের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করে ২০১৪ সালে। এরই অংশ হিসেবে প্রথম জিআই পণ্যের স্ট্যাটাসটি পেয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত জামদানি শাড়ি। জামদানির পর বাংলাদেশের ইলিশ মাছ ২য় ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৩য় জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
বর্তমানে বাংলাদেশের তিনটি জি আই পণ্য রয়েছে।
১. জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর ২০১৬)
২. ইলিশ (৬ আগস্ট ২০১৭)
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম (২৭ জানুয়ারী ২০১৯)
জিআই নিবন্ধন পেলে সুবিধা:
জিআই পণ্য হিসেবে যেসব পণ্যের নিবন্ধন কোনো দেশ পাবেন তারা যে সকল সুবিধা পাবেন তাহলো:
১. সংশিষ্ট পণ্যের মালিক হবে সেই দেশ। ভৌগোলিক পরিচিতও পাবে সেই দেশ।
২. তারা সেই পণ্যের ব্যবসায়িক মুনাফার সম্পূর্ণ অংশের মালিক হবেন।
৩. আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এসব পণ্যের মালিকানা বা স্বত্ব আর কোনো দেশ দাবি করতে পারবে না।
৪. দেশের মধ্যেও অন্য কোনো এলাকার জনগোষ্ঠী এ পণ্যের মালিকানা পাবে না।
![]() |
| বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক (জি আই) পণ্য |


0 Comments